ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে যা বললেন জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারের একটি অফিসে ধারণ করা হয়েছিল এবং ভিডিওতে থাকা মরিয়ম বেগম তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

লিখিত ব্যাখ্যায় তিনি জানান, ঘটনাটি ১৩ জুলাই ২০২৬ সালের। তার অভিযোগ, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং এর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ জড়িত। তিনি বিষয়টিকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওই দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং চালককে সঙ্গে নিয়ে মরিয়ম বেগমের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানের একপর্যায়ে কয়েকজন অচেনা ব্যক্তি অফিসে প্রবেশ করে পরিচয় জানতে চায় এবং পরে তাদের হয়রানির অভিযোগ ওঠে।

তার দাবি অনুযায়ী, পরে তাদের একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে অর্থ দাবি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু অর্থ দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

গাজী নজরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার নেপথ্যে তার চালক ওবায়দুল্লাহ এবং তার সহযোগীরা ছিলেন। তিনি বলেন, পরবর্তীতে তার কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। অর্থ না দিলে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংসদ সদস্যের ভাষ্য, চাঁদার দাবি পূরণ না হওয়ায় সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি এটিকে নিজের ও পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চরিত্রহননের অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুনঃ