বিএনপি নেতাকে সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যহতি

যশোরের মনিরামপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তুহিন হাসানকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তুহিন হাসান মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ ইকবাল হোসেনের ছোট ভাই।

এর আগে তার আরেক ভাই মনিরামপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিস্তার ফারুককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তুহিন হাসানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পৌর বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দকে তুহিনের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন অপরাধে পৌর বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় নজরদারি না রাখায়, অব্যাহতভাবে দলের নেতারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার পরও কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়ায় এবং এসব বিষয়ে সভাকরে জেলা কমিটিকে না জানানোর অভিযোগে মনিরামপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলায় উপস্থিত হয়ে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের কাছে জবাবদিহি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জেলার নেতা-কর্মীরা জানান, সম্প্রতি মনিরামপুর পৌরশহরে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা না দেয়ায় মিন্টু হোসেন নামে এক ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই ঘটনায় পৌর বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। এরপর সাব্বির হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করে জেলা বিএনপি। মিন্টু নিহতের ঘটনায় সাব্বিরের বিচারের দাবিতে কয়েকদিন আগে নিহতের পরিবার ও স্বজনেরা যশোরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন। সেখানে পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তুহিন হাসান হত্যাকাণ্ডে ইন্দনদাতা হিসেবে অভিযোগ করেন নিহত মিন্টুর স্বজনেরা।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ‘নানা অভিযোগে তুহিনকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। দল বিশৃঙ্খলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর। সে যত বড়ই নেতা হোক।’

আপনার মতামত লিখুনঃ