মালাক্কা প্রণালী ও ইন্দোনেশিয়ার উত্তর–পূর্বাঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘শেনিয়ার’ বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকালে ইন্দোনেশিয়ার উপকূল অতিক্রম করেছে। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) জানায়, এসময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭০–৮০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার সঙ্গে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত ওঠে। আইএমডি-এর সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ‘শেনিয়ার’ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই শক্তি বজায় রাখতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে দুর্বল হতে হতে ফের পূর্ব দিকে বাঁক নিতে পারে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার কুটা মাকমুর থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার পূর্বে, মালয়েশিয়ার জর্জ টাউনের পশ্চিমে ২৮০ কিলোমিটার, নিকোবরের ন্যানকোরি থেকে ৫৮০ কিলোমিটার এবং কার নিকোবর থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পূর্বে অবস্থান করছে।
এদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব শ্রীলঙ্কা–ইকুয়েটোরিয়াল ভারত মহাসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুস্পষ্ট নিম্নচাপও একই এলাকায় স্থির রয়েছে। এটি পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপের শক্তি বাড়াতে পারে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এই দুই আবহাওয়াজনিত ব্যবস্থার প্রভাবে নিকোবর ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু, কেরালা ও অন্ধ্র প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
মালাক্কা প্রণালী, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আন্দামান সাগর, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড উপকূলে দমকা হাওয়াসহ ঘণ্টায় ৭০-৮০ কিমি (দমকা ৯০ কিমি) বেগের ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। বৃহস্পতিবার সকালে এটি কমে ৫০-৬০ কিমি এবং শুক্রবার সকালে ৪০-৫০ কিমিতে নামতে পারে।
