বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন টুথপেস্ট নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা অধিকাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি রয়েছে। তবে কয়েকটি টুথপেস্টে এ ধরনের কোনো কণা শনাক্ত হয়নি।
পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও) এক বছরব্যাপী পরিচালিত গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে। ফলাফলে দেখা যায়, ২৬টি নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে, যা মোট নমুনার প্রায় ৭৬.৫ শতাংশ। বাকি ৮টি টুথপেস্টে পরীক্ষার সময় কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।
যেসব টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়নি:
১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)
২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি – ম্যাঙ্গো (দেশীয় ব্র্যান্ড)
৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)
৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)
৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)
৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)
৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)
৮. কোডোমো অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)
গবেষণাটি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোক্তাদের জন্য আরও স্পষ্ট নির্দেশনা নিশ্চিত করতে এ বিষয়ে জাতীয় মানদণ্ড ও নিয়মিত পরীক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।
